** কলেজ অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভ (কোডা) এর ওয়েবসাইট ভিজিট করার জন্য ধন্যবাদ **

কলেজ অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভ (কোডা)

পটভূমি
কলেজ অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভ (কোডা) উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের সুন্দর ভবিষ্যৎ ও সুষ্ঠু শিক্ষালাভের জন্য একটি অনন্য প্রতিষ্ঠান। এটি একটি অলাভজনক সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশ ছাত্র কল্যাণ সংস্থার ত্রি-স্তর বিশিষ্ট “সমন্বিত শিক্ষা প্রকল্প” CEFAD  এর ১ম স্তর হচ্ছে “School Of Development Alternative (SODA)” – প্লে গ্র“প হতে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত, ২য় স্তর “College Of Development Alternative (CODA)” – নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত এবং ৩য় স্তর “University Of Development Alternative (UODA)” – উচ্চ শিক্ষা স্তর ।
এখানে উল্লেখ্য, “Complete Education For Alternative Development”, সংক্ষেপে CEFAD ধারণাটির প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি জনাব মুজিব খান, দেশের প্রতিষ্ঠিত শিক্ষাবিদ, বুদ্ধিজীবীদের সহায়তা নিয়ে সমগ্র ছাত্র সমাজকে সুশিক্ষা দানের প্রক্রিয়ায় মানব সম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে সচেতন ও স্বনির্ভর করে গড়ে তোলার পাশাপাশি জাতিগত উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠা করেন ’বাংলাদেশ ছাত্র কল্যাণ সংস্থা’। ছাত্র কল্যাণ সংস্থার প্রস্তাবিত সমন্বিত শিক্ষা ব্যবস্থা “Complete Education For Alternative Development” বা CEFAD বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ১৯৯৩-৯৪ শিক্ষাবর্ষে প্রতিষ্ঠিত হয় কলেজ অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভ (কোডা) এবং কোডার সাফল্যের ধারাবাহিকতায় ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় স্কুল অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভ (সোডা)। ২০০২ সালের ১৬ এপ্রিল ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভ (ইউডা) উদ্বোধনের মাধ্যমে CEFAD এর তিন স্তর বিশিষ্ট শিক্ষা ব্যবস্থা পরিপূর্ণতা লাভ করেছে।
দ্রুত পরিবর্তনশীল প্রতিযোগিতাপূর্ণ এ বিশ্বে আপনার সন্তানকে একুশ শতকের  চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সক্ষম ও সুনাগরিক করে গড়ে তুলতে কোডা নিঃসন্দেহে একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।